মেনু নির্বাচন করুন

আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ইতিহাসঃ

 

 

ইতিহাস

 

শতবর্ষের ঐতিহ্যে লালিত আনন্দ মোহন কলেজ বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কলেজগুলোর অন্যতম। এ কলেজের রয়েছে এক সমৃদ্ধ ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আনন্দ মোহন কলেজ ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯০৯ সালে। এই মহান উদ্যোগের সঙ্গে যাঁর নাম জড়িয়ে আছে, তিনি হচ্ছেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসংস্কারক ব্যারিস্টার আনন্দমোহন বসু। তিনি ১৮৮৩ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহ শহরের রাম বাবু রোডে তাঁর পৈত্রিক বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ময়মনসিংহ ইনস্টিটিউশন’।

আনন্দমোহন বসু ১৮৮২ সালে ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত প্রথম শিক্ষা কমিশনের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। তাছাড়া তিনি কলকাতার সিটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। কলকাতার বেশকিছু গণ্যমান্য শিক্ষাবিদ নিয়ে গঠিত একটি কাউন্সিল সিটি কলেজ পরিচালনা করতেন, আনন্দমোহন বসু ছিলেন সেই কাউন্সিলের সভাপতি।

১৯৮০ সালের এপ্রিল মাস থেকে ময়মনসিংহ ইনস্টিটিউশন ‘ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুল’ নামে অভিহিত হয়। ১৮৯৯ সালে আনন্দমোহন বসু কলকাতা থেকে ময়মনসিংহ এলে ময়মনসিংহের স্থানীয় উৎসাহী অধিবাসীগণ ছাড়াও ‘‘ময়মনসিংহ সভা’’ এবং ‘‘আঞ্জুমানে ইসলামিয়া’’ এর যৌথ আবেদনে ময়মনসিংহে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবী জানানো হয়। এ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা সিটি কলেজ কাউন্সিলের সভাপতি আনন্দমোহন বসু ১৯০১ সনের ১৮ জুলাই সিটি কলেজিয়েট স্কুলকে ‘ময়মনসিংহ সিটি কলেজ’ নামে দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেজে রূপামত্মর করেন এবং একে কলকাতার সিটি কলেজের সাথে যুক্ত করেন। প্রাথমিক অবস্থায় কলকাতা সিটি কলেজ কাউন্সিলের আর্থিক সহযোগিতায় ময়মনসিংহ সিটি কলেজ পরিচালিত হতো, পরের বছর ১৯০২ সালের এপ্রিল মাসে এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক দ্বিতীয় গ্রেডের কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ইতোমধ্যে স্থানীয় অধিবাসীদের অর্থ সাহায্যে কলেজের পুরোভাগে রাসত্মার পাশে কলেজের জন্য পাকা ভবন নির্মিত হয়।

১৯০৬ সালে আনন্দমোহন বসুর মৃত্যুর পর ‘‘ময়মনসিংহ সিটি কলেজ’’ নানা সংকটের সম্মুখীন হয়। প্রথমত কলকাতা সিটি কলেজ কাউন্সিল অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে ময়মনসিংহ সিটি কলেজকে কলকাতার সিটি কলেজ থেকে বিযুক্তকরণের জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট দাবী পেশ করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ১৯০৮ সালের ৩১ মার্চ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কলকাতা সিটি কলেজ থেকে ময়মসসিংহ সিটি কলেজের সংযুক্তি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এই অবস্থায় কলেজের কার্যক্রম একপ্রকার বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তখন প্রিন্সিপাল বৈকুন্ঠনাথ চক্রবর্তী কলেজটির পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন এবং তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মি. জে. আর. ব্ল্যাকউডের শরণাপন্ন হন। মি. জে. আর. ব্ল্যাকউড স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও উদ্যমী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নতুন কমিটি গঠন করে

‘ ময়মনসিংহ কলেজ ’ নামে কলেজটিকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এ কমিটি কলেজের পরিচালনা ও যাবতীয় খরচের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং কলেজের জন্য তহবিল ও নতুন জায়গা সংগ্রহের জোরালো প্রচেষ্টা গ্রহণ করে। তৎকালীন ভারত সরকারের গ্রান্ট-ইন-এইড- এর আওতায় অর্থ সাহায্য প্রদানের জন্য বিভাগীয় কমিশনার-এর সাথে কমিটি সাক্ষাৎ করে। বিভাগীয় কমিশনার কলেজের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ৫৫,০০০/-(পঞ্চান্ন হাজার)  টাকা বরাদ্দ দেন। পাশাপাশি কলেজের সার্বিক উন্নতির জন্য স্থানীয় কয়েকজন জমিদার ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগতভাবে ১,১৮,৩৯৫/- (এক লক্ষ আঠার হাজার তিনশত পঁচানববই) টাকা এককালীন অনুদান প্রদান করেন। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম ও অনুদানের পরিমাণ নিম্নরূপ :

 

 

মহারাজা শশীকান্ত আচার্য্য চৌধুরী (মুক্তাগাছা)

৪৫,০০০/- টাকা

 

রাজা যোগেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী (রামগোপালপুর )

৩০,০০০/- টাকা

 

রাণী দিনমনি চৌধুরাণী (সন্তোষ)                      

২০,০০০/- টাকা

 

বাবু হেমচন্দ্র চৌধুরী (আম্বারিয়া)                      

১০,০০০/- টাকা

 

রাজা জগতকিশোর রায় চৌধুরী (গৌরীপুর)          

৫,৫০০/- টাকা

 

বাবু প্রমথনাথ রায় চৌধুরী ( সন্তোষ)     

৫,০০০/- টাকা

 

রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী (পুটিয়া)                      

১,০০০/- টাকা

 

শ্রীমতি বামা সুন্দরী দেবী (ভবানীপুর)                

১,০০০/- টাকা

 

 

 

ময়মনসিংহ জেলার প্রথম মুসলিম গ্র্যাজুয়েট, আনন্দমোহন বসুর কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের সহপাঠী বন্ধু, আঞ্জুমানে ইসলামিয়া-এর সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মৌলভী হামিদ উদ্দিন আহমদ কলেজের জন্য কাঁচিঝুলিতে ২৬ বিঘা জমি দান করেন এবং তার বন্ধু আনন্দমোহন বসুর নামে কলেজটির নামকরণের প্রস্তাব করেন। মৌলভী হামিদ উদ্দিন ছাড়াও তার জমির পার্শ্ববর্তী আরো কয়েক বিঘা জায়গা স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ কলেজের জন্য দান করেন। সরকারি-বেসরকারি নানা উৎস থেকে সংগৃহীত অর্থ এবং জমি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজটি কাঁচিঝুলির বর্তমান স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নতুন ভবন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে ১৯০৮ সালের শেষের দিকে ‘ময়মনসিংহ কলেজ’ এর নাম পরিবর্তন করে মৌলভী হামিদ উদ্দিন-এর    প্রস্তাবমতো কলেজের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা আনন্দমোহন বসুর নামানুসারে  

‘ আনন্দ মোহন কলেজ ’ রাখা হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই এটি একটি প্রথম শ্রেণীর কলেজে উন্নীত হয়। ফলে ১৯১৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এটিকে প্রথম গ্রেডের কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। কলেজের সার্বিক উন্নয়নে ময়মনসিংহ পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান রায় বাহাদুর শ্যামাচরণ রায় এর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

১৯১৪ সালে কলেজটি প্রথম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার পর থেকে কলেজটির খ্যাতি এবং ছাত্রসংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং কালক্রমে এটি এতদঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে । ১৯৬৪ সালের অক্টোবরে কলেজটিকে সরকারিকরণ করা হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ‘ বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার পর কলেজের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ একাডেমিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। শিক্ষকের পদ সংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা, ছাত্রাবাস, ছাত্রীনিবাস ও একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠাকালে যেখানে আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্র ছিল ১৭৮ জন এবং শিক্ষক ছিলেন ৯ জন, সেখানে বর্তমানে ছাত্র সংখ্যা প্রায় ২৫,০০০ এবং শিক্ষকের পদ ২০১। বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক কোর্সসহ ১৮টি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। ছাত্রদের জন্য ৩টি ছাত্রাবাস এবং ছাত্রীদের জন্য ২টি ছাত্রীনিবাস রয়েছে। প্রায় অর্ধলক্ষ পুস্তকসমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি রয়েছে। তাছাড়া প্রতি বিভাগে রয়েছে বিষয়ভিত্তিক পুস্তকসমৃদ্ধ সেমিনার-লাইব্রেরি। কলেজে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট কার্যক্রম চালু রয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রভৃতি শিক্ষা সহায়ক কর্মকান্ডের ব্যবস্থা রয়েছে।  

সাম্প্রতিক সময়ে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য ও  সাংস্কৃতিক চর্চায় গতিশীলতা আনতে গঠিত হয়েছে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল সাংস্কৃতিক পর্ষদ। শিক্ষার্থীদের শৃজনশীলতা বিকাশে এই পর্ষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

নিয়মিত এখানে খেলাধুলা ও অন্যান্য সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সবার জন্য সুপেয় নিরাপদ পানি-প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ‘drinking water zone’ স্থাপন করা হয়েছে। ছাত্রাবাস সমূহে যাতায়াতের জন্য বিকল্প সড়ক ও সড়কতোরণ (গেইট) নির্মাণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের নিশ্চয়তার জন্য একটি আধুনিক ক্যান্টিন তৈরী করা হয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের বিবেচনায় কলেজ মাঠ সংলগ্ন ‘‘মুক্তমঞ্চ’’ নির্মাণ করা হয়েছে।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই মঞ্চের নামকরণ করা হয়েছে ‘‘সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তমঞ্চ’’।

পরিকল্পিত বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে কলেজ চত্ত্বরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির প্রয়াস নেয়া হয়েছে। সর্বোপরি একাডেমিক কার্যক্রমকে আধুনিক ও গতিশীল করতে প্রতি বিভাগে কম্পিউটার ও মাল্টিমিডিয়া নির্ভর শ্রেনী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষকগণের দক্ষতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হয়েছে। গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর তথ্যব্যাংক।

কলেজের ছাত্রীদের চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে শীঘ্রই মহিলা চিকিৎসক সংযুক্ত হতে যাচ্ছে। এছাড়াও এনাম কমিটির প্যাটার্ণ অনুযায়ী আরও ৫৩ টি শিক্ষকের পদ সৃষ্টির পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিছুদিন হয় অত্র প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং ও ফিন্যান্স বিষয়ে অনার্স খোলার প্রাথমিক অনুমোদনও পাওয়া গেছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
অধ্যক্ষঃ প্রফেসর জাকির হোসেন +৮৮০১৭২৯০৯৮৬১৫. anandamohan1908@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

(শ্রেণী ভিত্তিক)

 

দ্বাদশ

৫৬৮ জন

 

 

স্নাতক সম্মান

১ম বর্ষ

৫২০৬ জন

 

 

২য় বর্ষ

৫১৮৯ জন

 

 

৩য় বর্ষ

৪৬০৪ জন

 

 

৪র্থ বর্ষ

৪৬৯৬ জন

 

 

প্রিলিমিনারী

১৩৪০ জন

 

 

শেষ বর্ষ

৪৫৩২ জন

৯৯% (প্রায়)

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্যঃ

 

প্রয়োজ্য নয়

বিগত ৫ বছরের সমাপনীঃ

 

প্রয়োজ্য নয়

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল

(সর্বশেষ)ঃ

 

উচ্চ মাধ্যমিক-২০১০

উচ্চ মাধ্যমিক-২০১১

 

মানবিক

মানবিক

G.P.A

5.

২জন

 

5.

৪জন

 

4. 

২৭জন

4.

৫৭জন

3. 

৬৩জন

3.

৩৯জন

2.

২৫জন

2.

১০জন

1. 

০২জন

1.

০১জন

 

বিজ্ঞান মাধ্যমিক

বিজ্ঞান মাধ্যমিক

G.P.A

5.

১৩জন

 

5.

৬৬জন

 

4. 

৪৪জন

4. 

৫৬জন

3. 

৪৯জন

3. 

৪৪জন

 

ব্যবসায় শিক্ষা   

ব্যবসায় শিক্ষা

G.P.A

5.

৪জন

 

5.

১১জন

 

4. 

৫২জন

4. 

৯৭জন

3. 

৮০জন

3. 

৪২জন

সর্বশেষ ফলাফল (বিষয় ভিত্তিক)

 

বিষয়

সম্মান (১ম শ্রেণী) ৪র্থ বর্ষ

প্রাপ্ত সংখ্যা

সম্মান (২য় শ্রেণী) ৪র্থ বর্ষ

প্রাপ্ত সংখ্যা

 

স্নাতকোত্তর

 শেষ পর্ব

(১ম শ্রেণী)

স্নাতকোত্তর

শেষ পর্ব

(২য় শ্রেণী)

বাংলা বিভাগ

০০

১৮০

০৭

১৫০

ইংরেজি বিভাগ

০০

১৫০

০০

১১৩

ইতিহাস বিভাগ

০০

১৭৭

০৩

১১০

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ

০৬

২৩১

০৩

২৪২

অর্থনীতি বিভাগ

০২

১৬০

৩০

১১৫

দর্শন বিভাগ

০০

১৫০

২১

১২৪

সমাজকর্ম বিভাগ

১২

২৩৫

৩২

২২৫

সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

০০

২২২

০৫

২৩০

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃত

০৩

১৮৬

১৩

২১৪

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ

২২

৬৬

৬০

৮১

ভূগোল বিভাগ ও পরিবেশ

০৪

১০৫

২১

৮২

গণিত বিভাগ

১৮

১৮০

২২

১৫৮

পদার্থবিদ্যা বিভাগ

১০

৩৬

২১

৫৭

রসায়ন বিভাগ

০৩

৭০

১৮

৩৮

উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ

১৬

৬০

১৬

৬০

প্রাণিবিদ্যা বিভাগ

১৪

৭২

৪৬

৭৪

 

ব্যবস্থাপনা বিভাগ

১৪

২৩০

২২

১৯০

হিসাববিজ্ঞান বিভাগ

৪১

১৭৪

৩৮

১৪৪

শিক্ষা বৃত্তির তথ্যঃ

 

প্রয়োজ্য নয়

অর্জন:

 

ক)

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯১৪ সালে প্রথম গ্রেডের কলেজ হিসাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত এবং বি.এ কোর্স চালুকরণ।

 

খ)

১৯১৮ সালে সর্বপ্রথম ইংরেজী বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুকরণ।

 

গ)

১৯৩৪ সালে সরকারী শিক্ষা রির্পোটে নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে আনন্দ মোহন কলেজের অভাবনীয় প্রশংসা করা হয়।

 

ঘ)

১৯৬৪ সালে জাতীয়করণ।

 

ঙ)

১৮টি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স প্রবর্তন।

 

চ)

বিভিন্ন সময়ে সেরা বিদ্যাপিঠ হিসাবে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রাপ্তি।

 

ছ)

২০১০ ইং সালে কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় প্রফেসর ড. এম.এ. মান্নান জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

 

ডিজিটাল ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা। এর লক্ষে বর্তমানে প্রতিটি বিভাগে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস এলাকা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

যোগাযোগ (ইমেইল এড্রেস সহ):

 

ফোনঃ ০৯১-৬৬৭৬৯, ফ্যাক্সঃ ০৯১-৬৫৩৬৬, মোবাইলঃ +৮৮০১৭২৯০৯৮৬১৫.

www.amc1908.ucoz.com / anandamohan1908@yahoo.com



Share with :

Facebook Twitter