মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা), ময়মনসিংহ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ঐতিহাসিক পটভূমি ও সাংগঠনিক কার্যাবলী

 

বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি ময়মনসিংহ হাওর-বাওর, নদীঘেরা, নানা বর্ণের পাখ-পাখালী, রাখালী বাঁশির মেঠোসুর, জারি-সারি ভাটিয়ালী গান, নানা উৎসবে মেতে ওঠা এক ঐতিহ্যময় এই ময়মনসিংহ জেলা। ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায়, ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ জেলা হিসেবে খ্যাত ময়মনসিংহ বিস্ময়কর লোক গাঁথা দুর্লভ মৈমনসিংহ গীতিকা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, সঙ্গীত ও ক্রীড়ায়-ঋদ্ধ এই ময়মনসিংহ জেলা। বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে রয়েছে এই জেলার জনগণের বিশেষ অবদান।  

 

 

লোক-সাহিত্য, বারোমাসি গান, কীর্তন, নৌকাবাইচ, ষাঁড়ের লড়াই, কবিগান, যাত্রাপালা, হরেক রকম মেলা সব মিলিয়ে ময়মনসিংহের ইতিহাস এতটাই বর্ণাঢ্য, বিপুল যার প্রকাশে বৃহৎ পরিসরের একান্ত প্রয়োজন। ময়মনসিংহের কয়েকটি প্রাচীন স্থাপত্য, দর্শনীয় ও ঐতিহ্যময়  স্থানের মধ্যে ‘শশীলজ’ একটি।

 

‘শশীলজ’- ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য্য নিজপুত্র (ভ্রাতুষ্পুত্র ও দত্তক পুত্র) শশীকান্ত আচার্য্যের নামে ‘শশীলজ’ নামে বাসভবনটি নির্মাণ করেন। বাস ভবনটি ছিল বিচিত্র নকশা ও কারকার্যমন্ডিত। ভবনটি ছিলো - দ্বিতল ও বিলাসবহুল। দ্বিতল ভবনের সিঁড়িতে বিশেষ বাদ্যের ব্যবস্থা ছিলো। সিঁড়িতে মানুষের পদচারণায় সুমধুর বাজনা বেজে উঠতো। জানা যায় মহারাজা প্যারিস থেকে একলক্ষ (মতামন্তরে তিন লক্ষ) টাকা ব্যয়ে স্ফটিক-সঙ্গীত বাক্সটি কিনে এনেছিলেন। কিন্তু প্রকৃতির নির্মম পরিহাস - ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে সূর্যকান্তের বহু সাধের গড়া সুবিশাল রাজপ্রাসাদটি সহ সঙ্গীত সিঁড়িটিও বিধ্বস্থ হয়ে যায়। প্রকৃতির নিঠুর খেলায় ‘শশীলজ’ ধ্বসে যাবার পর মহারাজা ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁর এলাকায় দ্বিতল পাকা বাড়ি নির্মাণ নিষিদ্ধ করেন। ভূমিকম্পে বিধ্বসন্ত শশীলজ অতল গহবরে চলে যায়। কিন্তু পুত্র শশীকামন্ত পিতৃস্মৃতির ইতিহাসকে অমলিন-অমর করে রাখার প্রয়াসে ‘শশীলজ’টি পুণঃ নির্মাণ করে রেখে গেছেন। সেই অমর কীর্তির ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে এখনো - এই ‘শশীলজ’।

 

কলেজ প্রতিষ্ঠা

 

১৯৫২ সালে এই ‘শশীলজ’ ভবন প্রাঙ্গণকে ঘিরেই গড়ে ওঠেছে- দেশের একমাত্র মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়টি। রাজধানী ঢাকা নগরী থেকে প্রায় ১২১ কিলোমিটার উত্তরে বৃহত্তর ময়মনসিংহে জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে এই প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়টি অবস্থিত।

 

১৯৫২ সালে‘শশীলজ’-এ মহিলাদের জন্য পৃথক প্রশিক্ষণ কলেজ স্থাপিত হবার পর প্রথমদিকে এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মহিলা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। এই প্রশিক্ষণ কোর্সটির নাম ছিল সি-ইন-এড।

শশীলজের সুউচ্চ প্রবেশদ্বার পেরিয়ে সামনের দিকে সামান্য কিছু এগুলেই দেখতে পাওয়া যাবে সোজা সামনের দিকে মূল ভবনে প্রশাসনিক কার্যালয়, হাতের বাঁদিকে অধ্যক্ষ ভবন, ডান দিকে টিচার্স স্টাফ কোয়ার্টার। অন্যদিকে রয়েছে শশীলজের সামনের ঠিক মাঝ বরাবর নানা প্রজাতি সুশোভিত একটি ফুলের বাগান আর ফোয়ারার মাঝে সদ্য স্নানরতা গ্রীক দেবী ভেনাসের মনোমুগ্ধকর এক জীবমন্ত মূর্তি। যেখানে ক্ষণিকের জন্য হলেও পথিক আর অসংখ্য পর্যটক থমকে দাঁড়ায়। শশীলজের স্থাপত্যকীর্তি, দুর্লভ বন-বীথি, অশোক, দেবদারম্ন, উদয়পদ্ম, কাঠগোলাপ, অর্জুন, কর্পূর, জামরম্নল, হিংফুল, বকুল, রাধাচূড়া, চাঁপা-কামিনীর মন-মাতানো সৌরভ পর্যটকদের দেয় বারবার হাতছানি। প্রাচীন গাছ নাগলিঙ্গম - শশীলজের কত কথা, কত স্মৃতির সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আজো।

 

বিভিন্ন সময়ে শশীলজের আঙিনা, সবুজ ঘাসের গালিচায়, ছায়াঘেরা বনবীথির শীতল পরশে কত জানা, না জানা জ্ঞানী-গুণী, শিল্পী, কবি-সাহিত্যিক, সঙ্গীত গুরম্নদের হৃদয়-মনজুড়িয়ে গেছে ু আজ তার হিসেব কষা বড়ই কঠিন। ইতিহাস থেকে জানা যায় - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহারাজা সূর্যকান্তের তৈরি শশীকান্তের বাগান বাড়িতে এসেছেন, আতিথ্য গ্রহণ করেছেন এবং শশীকান্তের বাগান বাড়ি ও শশীলজের অপরূপ সৌন্দর্যে হয়েছেন মোহিত।

 

প্রশাসনিকভবনের পূর্ব দিকে এস ই ডি পি নামক প্রকল্প হতে বর্তমানের বি,এড তিন তলাভবনটি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে টিকিউ আই-সেপ প্রকল্পের মাধ্যমে এ ভবনের উন্নয়ন হয় এবং স্থাপন করা হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হাইস্পীড ইন্টারনেট কানেক্টেড একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। কলেজে রয়েছে বিশাল ও বিখ্যাত লাইব্রেরী। দক্ষিণ পার্শ্বে ৩০০ আসন বিশিষ্ট একটি কলেজ হোস্টেল ভবন আছে।  শশীলজের পিছনের দিকে রয়েছে শ্বেত পাথরের ঘাট বাঁধানো পুকুর। সব মিলিয়ে এক অপরূপ অনির্বচনীয় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মেলা।

 

মহাকালের বুকে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে ও থাকবে শশীলজ এবং শশীকামেন্তর স্মৃতিকথা।

 

 

 

বি্এড- ৮৪ জন- ১ বছর মেয়াদি

এমএড- ০৫ জন- ১  বছর মেয়াদি

আইসিটি-৩০ জন- ১২  দিনব্যাপী

এছাড়াও বিভিন্ন স্বল্পকালীন কোর্স বিভিন্ন সময়ে সম্পন্ন হয়-

1.     সিপিডি-১৪/২৪ দিনব্যাপী

2.    সিপিডি ফলোআপ - ৫ দিনব্যাপী

3.    এসটিসি- ৩ মাসব্যাপী

4.     এসটিসি-বিএড- ৯ মাসব্যাপী

জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা ৫ দিনব্যাপী

5.    ওয়াস  ইন স্কুল প্রোগ্রাম- ৩ দিনব্যাপী

6.    ক্লাস্টার ট্রেনিং প্রোগ্রাম

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
প্রফেসর রোকেয়া আক্তার খানম 0 ttcw_mym@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
অমল কান্তি চক্রবর্তী ০১৭১২৬১৫৫৫০ kantiamal@gmail.com

বি্এড- ৮৪ জন- ১ বছর মেয়াদি

এমএড- ০৫ জন- ১  বছর মেয়াদি

আইসিটি-৩০ জন- ১২  দিনব্যাপী

এছাড়াও বিভিন্ন স্বল্পকালীন কোর্স বিভিন্ন সময়ে সম্পন্ন হয়-

1.     সিপিডি-১৪/২৪ দিনব্যাপী

2.    সিপিডি ফলোআপ - ৫ দিনব্যাপী

3.    এসটিসি- ৩ মাসব্যাপী

4.     এসটিসি-বিএড- ৯ মাসব্যাপী

5.    জীবন দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা ৫ দিনব্যাপী

6.    ওয়াস  ইন স্কুল প্রোগ্রাম- ৩ দিনব্যাপী

7.     ক্লাস্টার ট্রেনিং প্রোগ্রাম- ১ দিন ব্যাপী

৯৫%

বি-এড

ক্র:নং

সন

পাশের হার (%)

২০০৬

১০০

২০০৭

৮৭

২০০৮

৯৪

২০০৯

৯৪

২০১০

৯৭

 

এম-এড

ক্র:নং

সন

পাশের হার (%)

২০০৭

৮৭

২০০৮

৪০

২০০৯

১০০

২০১০

৯৫

5

২০১১

৯৫

শিক্ষক প্রশিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বি এড ও এম এড পরীক্ষায় প্রশিক্ষণার্থীদের ভাল ফলাফল (২০১১ সালের এম এড পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৮ম স্থান)

শিক্ষায় সম্মান কোর্স চালুসহ প্রশিক্ষণের জন্য অত্র কলেজকে Centre of Excellence হিসেবে প্রতিষ্ঠিত  করা

গংগা  দাস  গুহ রোড, ময়মনসিংহ,

ফোননং ০৯১=৬১৩৪৬, ওয়েবসাইট- www.ttcwomenmyn.gov.bd,

 

ই-মেইল- info@ttcwomenmyn.gov.bd, ttcw_mym@yahoo.com